Jamiatu Luthfur Rahman Al Islamia Madrasa

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ

মাজলিসে আম্মাহ/আজীবন সদস্য পরিষদ/সাধারন পরিষদ বা ‘বদরী কমিটি’ বা ‘আছহাবে বদরীন’

  • মৌঃ মোঃ জুবেদ আলী, পিতাঃ মরহুম বাহাদুর আলী, মাতাঃ মরহুমা রহিমা বেগম, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আতাউর রহমান সুমন, পিতাঃ মৌঃ মোঃ জুবেদ আলী, মাতাঃ লাইলী আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ খাইরুল ইসলাম জুয়েল, পিতাঃ মৌঃ মোঃ জুবেদ আলী, মাতাঃ লাইলী আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আমির উদ্দিন, পিতাঃ মরহুম বাহাদুর আলী, মাতাঃ মরহুমা রহিমা বেগম, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আশ্রব আলী, পিতাঃ মরহুম শহর আলী, মাতাঃ মরহুমা রহিমা বেগম, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আবদুর রাশিদ, পিতাঃ মরহুম শের আলী, মাতাঃ মরহুমা শোভার মা, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ গোলাম মোস্তুফা, পিতাঃ মরহুম শের আলী, মাতাঃ মরহুমা শোভার মা, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ রাসেল মিয়া, পিতাঃ মোঃ আবদুর রাশিদ, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ তুহিন মিয়া, পিতাঃ মোঃ আবদুর রাশিদ, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মুফতি হাফেজ মাওলানা নাইম, পিতাঃ মোঃ আবদুর রাশিদ, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, পিতাঃ মোঃ গোলাম মোস্তুফা, মাতাঃ নাজমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আলমগীর, পিতাঃ মোঃ গোলাম মোস্তুফা, মাতাঃ নাজমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ শহিদ মিয়া, পিতাঃ মরহুম শের আলী, মাতাঃ মরহুমা শোভার মা, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আবদুল মান্নান, পিতাঃ মরহুম ছামেদ আলী, মাতাঃ রাবেয়া আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আবদুস ছালাম, পিতাঃ মরহুম ছামেদ আলী, মাতাঃ রাবেয়া আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ এমদাদুল হক, পিতাঃ মরহুম শহর আলী, মাতাঃ মরহুমা রহিমা বেগম, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ পিয়াস, পিতাঃ মোঃ এমদাদুল হক, মাতাঃ তানিয়া বেগম, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ নয়ন মিয়া, পিতাঃ মোঃ কাছুম আলী, মাতাঃ বেগম, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ স্বপন মিয়া, পিতাঃ মোঃ কাছুম আলী, মাতাঃ বেগম, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আবদুল কুদ্দুছ (চান মিয়া), পিতাঃ মরহুম মোঃ আক্কাছ আলী, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ তারা মিয়া, পিতাঃ মরহুম মোঃ আক্কাছ আলী, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ সুরুজ আলী, পিতাঃ মরহুম মোঃ আক্কাছ আলী, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ তোতা মিয়া, পিতাঃ মরহুম মোঃ আক্কাছ আলী, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ ওমর ফারুক বাচ্চু, পিতাঃ মরহুম মোঃ আকবর আলী, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।          
  • মোঃ আহমদ আলী, পিতাঃ মরহুম মোঃ মামুদ আলী ফকির, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ ফারুক মিয়া, পিতাঃ মরহুম মোঃ সাহেদ আলী, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ জমশেদ আলী, পিতাঃ মরহুম মোঃ মামুদ আলী ফকির, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ বারেক মিয়া, পিতাঃ মরহুম জলিল মিয়া, মাতাঃ রাহিমা আক্তার, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ আবদুল হাই , গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।   
  • মোঃ আবুল হোসেন, গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।
  • মোঃ জুয়েল মিয়া , গ্রাম- ভাটি সাভার, ডাকঘর- হেমগঞ্জ বাজার, থানা- নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ।   

ক্রমিক নং

নাম ও পদবী
ছবি
জনাব মোঃ লুৎফুর রহমান
বি.এ. (অনার্স), এম.এ.(দর্শন), চ.বি.
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক
জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা
ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
মোবাইলঃ ০১৯৯৯-৯১১৬৩৩, ০১৯৮৮৭৭৭৭৮০
মেইলঃ founder@jamiatuluthfur.com
 
হাফেজ মুফতি মুহাম্মাদ তাজুল ইসলাম
মুহতামিম
জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা
ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
মোবাইল : ০১৯৯৯-৯১১৬৯৯
মেইলঃ muhtamim@jamiatuluthfur.com
 
হাফেজ মুহাম্মদ আবু রায়হান
প্রধান শিক্ষক- নুরানী বিভাগ
জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা
ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
মোবাইল : ০১৯৯৯-৯১১৬৯৯
মেইলঃ raihan@jamiatuluthfur.com
 
হাফেজ মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন
সহকারি শিক্ষক (আরবি/মক্তব)
জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা
ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
মোবাইল : ০১৯৯৯-৯১১৬৯৯
মেইলঃ anwar@jamiatuluthfur.com
 
মুহাম্মদ আবেুল হাশেম
সহকারি শিক্ষক (সাধারন)
জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা
ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
মোবাইল : ০১৯৯৯-৯১১৬৯৯
মেইলঃ hashem@jamiatuluthfur.com
 
মুহতারাম!
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
(আস্ সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।)
মহোদয় সমীপে আরজ এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী ইলম ও আমলের মাধ্যমে মুসলিম জনসাধারনের মধ্যে মাহান আল্লাহ সুবহানু ত’য়ালার আনুগত্য ও রাসুল (সাঃ) এর অনুকরণে ইসলামী জিন্দেগীর সহিহ নমুনা পেশ করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করার নিমিত্তে – “জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা” গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করি।
খোদাভীরু ধর্মপ্রাণ ভাই ও বোনেরা! আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এ দুনিয়াতে অনেক নিয়ামত ও অনুগ্রহের মাঝে নিমজ্জিত রেখেছেন। এর শুকরিয়া হিসেবে আমাদের উচিত আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের সুন্দর আমলগুলো ধারণ করে নিজের আখেরাতের পথকে সুগম করা। আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের এক জামাআত যারা বদর যুদ্ধে রাসূল সাঃ এর সাথে শরীক ছিলেন। সে যুদ্ধে শরীক থাকার বদৌলতে আল্লাহ তায়ালা তাঁদের উপর নিজ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। বুখারী শরীফে সে সকল সাহাবীদের নামও উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গানে দ্বীনের অভিজ্ঞতা হল তাদের নাম নিয়ে দু’আ করলে তা আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন। তাদের সংখ্যা ছিল ৩১৩ জন।
সে ৩১৩ জনের সংখ্যার বরকত হাসিল করার মানসে কুরআন ও সুন্নাহর প্রচার-প্রসারের উদ্দেশ্যে “জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা” ভাটি সাভার, হেমগঞ্জ বাজার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ -এ ৩১৩ জনের একটি মজলিসে আম্মাহ/আজীবন সদস্য পরিষদ/সাধারন পরিষদ বা ‘বদরী কমিটি’ বা ‘আছহাবে বদরীন’ নামে সহায়ক কমিটি গঠণ করার  সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  
‘পবিত্র রমজান মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল করা হয়েছে। এটি মানুষের জন্য পথনির্দেশনার প্রমাণপঞ্জি ও সত্য মিথ্যার মানদণ্ড।’ (সুরা বাকারা : ১৮৫) হাঁ, বাস্তবিকই সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের এক মহা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন আখেরি নবী (সাঃ)-এর নেতৃত্বে সাহাবায়ে কেরাম ঐতিহাসিক বদর প্রান্তরে। তাই সেদিনকে ইয়াওমুল ফুরকান বা সত্য মিথ্যার পার্থক্যের দিন বলা হয়। সত্যপথের অনুসারী অল্পসংখ্যক রোজাদার মুসলমান, বিশাল অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত মিথ্যার অনুসারী কাফের-মুশরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করার মাধ্যমে সত্য-মিথ্যার চিরপার্থক্য সূচিত হয়ে যায়। এ যুদ্ধে মুসলমান মুজাহিদের সৈন্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৭০ জন মুহাজির এবং অন্যরা আনসার। অন্যদিকে নবী ও দ্বীন-ধর্মবিরোধী কাফের-বেইমানদের সৈন্যসংখ্যা ছিল এক হাজার। এই বিপুল সৈন্যশক্তির বিরুদ্ধে হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর নেতৃত্বে তাঁর সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) আল্লাহর ওপর ভরসা করে মরণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে কাফেরদের অহংকার ধূলোয় মিশিয়ে দেন এবং তাদের কাছ থেকে চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে আনেন। আল্লাহপাক তাই সাহাবাদের সম্মানে বলেছেন, তাদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট আর তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট।
সত্য ও মিথ্যার, হক ও বাতিলের, মুসলিম ও কাফেরদের মধ্যকার ঐতিহাসিক যুদ্ধ এবং এটি ছিল ইসলামের প্রথম যুদ্ধ। মক্কার কাফেররা রাসূল (সাঃ) এবং মুমিন বাহিনীকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েই চুপ করে বসে থাকেনি, তারা ইসলামকে শেষ করে দেয়ার জন্য নানা ফন্দি আঁটতে থাকে সে সুবাদে আবু সুফিয়ান মক্কার কাফেরদের কাছ থেকে প্রচুর স্বর্ণালংকার নিয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সমরাস্ত্র সংগ্রহে যায়, আর সে তার সে কাফেলা নিয়ে যখন মক্কায় ফিরিছিল মদীনার পাশ দিয়েই যেতে হবে, তাই হুজুর (সাঃ) ৩১৩ জন নিরস্ত্র সাহাবীকে নিয়ে আবু সুফিয়ানের বানিজ্য কাফেলাকে আটকাতে বের হলেন, যুদ্ধের নিয়তে নয় বরং আবু সুফিয়ান যে সব অস্ত্র সস্ত্র মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল তা আয়ত্বে নেয়ার নিয়তে বের হলেন।
এদিকে আবু সুফিয়ানও সতর্ক দৃষ্টি রাখছিল, সে একটি কুয়ার পাশে উটের গোবর দেখল সে গোবর হাতে নিয়ে দেখল তাতে খেজুরের বিচি এবং সে বুঝতে পারল এই উট মদীনার এবং সে আরো আঁচ করে নিল মুহাম্মদ (দ) হয়ত তাকে পথে বাঁধা দিবে তাই সে রাস্তা পরিবতন করে ফেলল এবং একজন অশ্বারোহিকে মক্কায় পাঠিয়ে দিল খবর দিল যে সে মদীনায় মুসলমানদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। সে খবর পেয়ে আবু জেহেল ১০০০ সশস্ত্র সৈন্য নিয়ে দ্রুত রওয়ানা হয়ে গেল, এদিকে মুসলমানরা বদর প্রান্তরে এসে অনাকাংখিত ভাবে আবু জেহেলের বিশাল সশস্ত্র বাহিনির সামনাসামনি হয়ে গেল, আর এক অসম যুদ্ধ শুরু হল ।
বদরের যুদ্ধের কারণ :- ১, মক্কার কুরাইশের ঈর্ষা করতো ২, আবদুল্লাহ-ইবনে উবাইর ষড়য্ন্ত ৩, মদিনায় ইহুদিদের বিশ্বাসঘাতকতা ৪, বাণিজ্যপথ রুদ্ধ হওয়ার আশংকা ৫, কুরাইদের দস্যুবূত্তি ও লুটতরাজ ৬, নাখলার খন্ডযুদ্ধ ৭, আবু সুফিয়ানের অপপ্রচার ৮, মহানবীর (স.) ঐশীবাণী লাভ এসব গুলোই ছিল বদর যুদ্ধের কারণ । বদর যুদ্ধের ঘটনা :- বদর যুদ্ধে কুরাইদের ১০০০ সৈন্য নিয়ে হযরত মুহাম্মদ (স.) ৬২৪ খ্রিঃ ১৭ই মার্চ (১৭ই রমজান, ২য় হিজরি) ৩১৩ জন মুজাহিদ নিয়ে গঠিত একটি ক্ষুদ্র বাহিনী নিয়ে মদিনার প্রায় ৮০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে বদর নামক স্থানে যুদ্ধ সংঘঠিত হয় ।বদর যুদ্ধে আবুজেহেলসহ মোট ৭০ জন কুরাইশ নিহত এবং ৭০ জন বন্দি হয় । মুসলমানদের পক্ষে মাএ ১৪ জন শাহাদাত্‍ বরণ করে । [Note: এ যুদ্ধে নবীর দুটি দাঁত মোবারক শহীদ হয়] বদর যুদ্ধের ফলাফল ও গুরুত্ব :- ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধের গুরুত্ব ও তাত্‍পর্য অপরিসীম । এ যুদ্ধের সাথে মুসলমানদের আস্তিত্ব ও ইসলামের ভবিষ্যত্‍ জড়িত ছিল ।
বিগত অভিযানগুলির ন্যায় এই অভিযানেরও উদ্দেশ্য ছিল কুরায়েশ কাফেলাকে আটকানো। তাই অন্যান্য অভিযানের মতই এটাকে ভাবা হয়েছিল। ফলে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কাউকে অভিযানে যেতে বাধ্য করেননি। অবশেষে ৮ রমজান তারিখে ৩১৩, ১৪ বা ১৭ জনের কাফেলা নিয়ে সাধারণ প্রস্তুতিসহ তিনি রওয়ানা হলেন। যার মধ্যে ৮২, ৮৩ বা ৮৬ জন ছিলেন মুহাজির  (মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতকারী) এবং বাকীগণ ছিলেন আনছার (মদীনায় মক্কার মুহাজিরদেরকে সাহায্যকারী)। আনছারগণের মধ্যে ৬১ জন ছিলেন আউস গোত্রের এবং ১৭০ জন ছিলেন খাযরাজের।
বি’রে সুক্বইয়া নামক স্থানে এসে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ক্বায়েস ইবনু আবী ছা‘ছা‘কে সংখ্যা গণনা করতে বললেন। পরে সংখ্যা জানতে পেরে রাসূল (সাঃ) খুশি হয়ে বললেন, তালূতের সৈন্য সংখ্যাও তাই ছিল। এটা বিজয়ের লক্ষণ। তিন শতাধিক লোকের এই বাহিনীতে মাত্র ২টি ঘোড়া ছিল যুবায়ের ইবনুল আওয়াম এবং মিক্বদাদ ইবনুল আসওয়াদের এবং ৭০টি উট ছিল। যাতে দু’তিন জন করে পালাক্রমে সওয়ার হয়ে চলতে হতো। রাসূল (সাঃ), আলী ও মারছাদ বিন আবী মারছাদ গানাভীর জন্য একটি উট বরাদ্দ ছিল। যাতে পায়ে হাঁটার পালা আসলে রাসূল (সাঃ) নিজেও হাঁটতেন। এ সময় মদীনায় আমির নিযুক্ত হন অন্ধ সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম। পরে ‘রাওহা’ নামক স্থানে পৌঁছে আবু লুবাবা ইবনু আবদিল মুনযিরকে ‘আমীর’ নিযুক্ত করে পাঠানো হয়।
অপর পক্ষে কাফেলার পতাকা বহনের দায়িত্ব দেওয়া হয় মদীনার প্রথম দাঈ মুসআব বিন উমায়েরকে। ইতিপূর্বেকার সকল পতাকার ন্যায় আজকের এ পতাকাও ছিল শ্বেত বর্ণের। ডান বাহুর সেনাপতি নিযুক্ত হন যুবায়ের ইবনুল ‘আওয়াম এবং বাম বাহুর জন্য মিক্বদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাঃ)। পুরা বাহিনীতে এ দু’জনেরই মাত্র দু’টি ঘোড়া ছিল। আর পশ্চাদ্ভাগের সেনাপতি নিযুক্ত হন ক্বায়েস ইবনু আবী ছা‘ছা‘আহ (রাঃ)। এতদ্ব্যতীত মুহাজিরগণের পতাকা বাহক হোন আলী (রাঃ) এবং আনছারগণের সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)। আর সার্বিক কম্যান্ডের দায়িত্বে থাকেন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সাঃ)।
মুসলিম বাহিনী
  • সৈন্য সংখ্যা : ৩১৩জন। মুহাজির ছিলেন ৮২ জন। আর সবাই আনসার। আওস গোত্রের ৬১ জন এবং খাজরাজ গোত্রের ১৭০ জন।
  • মুসলিম সেনাপতি : বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
  • মুসলিমদের উট ও ঘোড়ার সংখ্যা ছিল যথাক্রমে : ৭০টি ও ২টি।
  • মুসলিম বাহিনী শহীদ হয় : ১৪ জন। (৬জন মুহাজির, ৮জন আসনার)
  • আবু জাহেলকে হত্যা করেন ২ ভাই : হজরত মুআজ ও মুআওয়েজ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা।
বদর যুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী ১৪ জন সাহাবীর নাম
১) হযরত ওমায়ের ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)- মুহাজির।عمير أبن أبي وقاص
২) হযরতযুশ শিমালাইন বিন আব্দে আমর (রাঃ)-মুহাজির ذو الشمالين بن عبد عمرو
৩) হযরত সাফওয়ান ইবনেওয়াহব (রাঃ)-মুহাজির। صفوان بن وهب
৪) হযরত মাহজা ইবনে সালেহ (রাঃ)- মুহাজির। مهجع بن صالح
তিনি ছিলেন হযরত ওমর (রাঃ) এর আযাদকৃত ক্রীতদাস।
৫) হযরত আকিল ইবনে বুকাইল (রাঃ)- মুহাজির।عاقل بن البكير
৬) হযরত ওবায়দা ইবনে হারিছ (রাঃ) – মুহাজির عبيدة بن الحارث
৭) হযরত সা‘দ ইবনে খাইছামা   – আনসার। سعد بن خيثمة
৮) হযরত মুবাশ্বর ইবনে আবদুল মুনযির (রাঃ) – আনসার।مبشر ابن المنذر.
৯) হযরত হারিছা ইবনে সুরাকা (রাঃ) – আনসার। حارثة بن سراقة
১০) হযরত রাফি ইবনে মুয়াল্লাহ (রাঃ) – আনসার। رافع بن المعلاء
১১) হযরত ওমায়ের ইবনে হুমাম (রাঃ) – আনসার (১ম শহীদ)। عمير ابن الحمام.
১২) হযরত ইয়াযিদ ইবনে হারিছ (রাঃ) – আনসার।يزيد بن الحارث
১৩) হযরত মুআওয়িয ইবনে হারিছ (রাঃ) – আনসার।  ইবনুল হারিছ (রাঃ) معوذ بن الحارث
১৪) হযরত আওফ ইবনে হারিছ (রাঃ) – আনসার।عوف بن الحارث
কুরাইশ বাহিনী
১) অমুসলিম সৈন্য সংখ্যা ১০০০জন।
২) কুরাইশ বাহিনীর ছিল অসংখ্য উট।
৩) ১০০টি ঘোড়া এবং ৬০০ লৌহবর্ম। কুরাইশ বাহিনীর জন্য প্রতিদিন ৯-১০টি উট খাওয়ার জন্য জবাই করা হতো।
৪) অমুসলিম সেনাপতি : ওতবা বিন রবীআ।
৫) অমুসলিম নিহত ৭০ জন এবং বন্দিও হয় ৭০ জন।
৬) বদর যুদ্ধে কুরাইশদের প্রায় গোত্র অংশগ্রহণ করলেও বনু আদি গোত্রের কেউ এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি।
বদর যুদ্ধে ফেরেশতা
এই অসম যুদ্ধের আগে হুজুর (সাঃ) আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন আর সে দোয়ার ফলে আল্লাহ তায়ালা হযরত জিবরাইল (আ) এর নেতৃত্বে ৫০০ এবং হযরত মিকাঈল আ এর নেতৃত্বে ৫০০ মোট ১০০০ ফেরেশতা প্রেরণ করেন। ফেরেশতারা এই যুদ্ধেই প্রথম অস্ত্র চালিয়েছেন। অন্যথায় ফেরেশতাদের কাজ যুদ্ধ বিগ্রহ নয়। কিন্তু বদর যুদ্ধে তারা তরবারী চালিযেছেন সে জন্য বদরী সাহাবীরা বলেন আমরা তরবারী যখন কাফেরেরর উপর তুলি মারার আগেই দেখি তার গর্দার আলাদা হয়ে গেছে। সে সাহায্যের কথা আল্লাহ সুরা আনফালের ৯ নং আয়াতে বয়ান করেন-
إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّي مُمِدُّكُم بِأَلْفٍ مِّنَ الْمَلآئِكَةِ مُرْدِفِينَ
তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট, তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদের মঞ্জুরী দান করলেন যে, আমি তোমাদিগকে সাহায্য করব ধারাবহিকভাবে আগত হাজার ফেরেশতার মাধ্যমে। [সুরা আনফাল – ৮:৯]
আফযল সাহাবী ও আফযল ফেরেশতা
একদিন জিবরাইল প্রশ্ন করেন এয়া রাসুলাল্লাহ আপনার সাহাবীদের মধ্যে সবচেয়ে আফযল কারা? মহানবী উত্তর দেন বদরে যারা শহিদ হয়েছেন তারা। জিবরাইল (আ) বলেন আসমানে যত ফেরেশতা আছে তাদের মধ্যে ঐ ১০০০ ফেরেশতা সবচেয়ে আফযল যারা বদরে অংশ গ্রহণ করেছেন।
বদরী সাহাবাদের ফজিলত : বদরী সাহাবাদের সবচেয়ে বড় ফজিলত হলো, আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় নবীর জবানে তাদের জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আমার সাহাবারা, তোমাদের জন্য জান্নাত অবধারিত।’ অন্য এক হাদিস থেকে জানা যায়, বদরী সাহাবাদের জন্য জাহান্নাম হারাম। (মুসলিম : ২৪৯৫) আরো এক হাদিস রয়েছে, আল্লাহ তায়ালা তাঁদের আগে পরের সব গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। (মুস্তাদরাক : ৪/৮৭)
হাদীসে কুদসিতে আছে নবীজি এরশাদ করেন আল্লাহ তায়ালা বলেন (ইফয়ালু মা শিতুম ফাইন্নী কাদ গাফারতু লাকুম) তোমরা যা খুশি তাই কর কারন তোমাদেরকে ক্ষমা করা হয়েছে।
নামেই বরকত : আল্লাহ তায়ালা বদরী সাহাবাদের নাম এবং তাঁদের আলোচনার মধ্যে অসংখ্য বরকত রেখেছেন। যেমন বুরহান হলবী এবং দাওয়ানী বর্ণনা করেন, তাঁদের নামের উসিলা ধরে যে দোয়া করা হয়, তা কবুল করা হয়। এটা অভিজ্ঞতার দ্বারা প্রমাণিত। অনেকে বলেন, বহু মানুষ বদরী সাহাবাদের নামের বরকতে আল্লাহর ওলি হয়েছেন। আর এটাও বাস্তব সত্য, যেসব রোগীর জন্য বদরী সাহাবাদের উসিলায় সুস্থতার দোয়া করা হয়েছে, তারা আল্লাহর রহমতে আরোগ্য লাভ করেছে। একজন আরেফ বিল্লাহ বলেন, আমি যত রোগীর মাথায় হাত রেখে ইখলাসের সঙ্গে বদরী সাহাবাদের নাম পড়েছি আল্লাহ তায়ালা তাদের সুস্থতা দান করেছেন। এমনকি মৃত্যুর সময় হয়ে গেলে তার মৃত্যুও সহজ হয়েছে।
ইতিহাস সাক্ষী ৩১৩ বদরী সদস্য যুগে যুগে মুমিনের হৃদয়ে প্রেরণা যুগিয়েছে। ৩১৩ সংখ্যা শুধু কিংবদন্তিই নয়, বরং এক বিস্ময়কর ইতিহাস ও বটে। সেই ৩১৩ জনের মহিমা গেয়েছে পবিত্র কুরআনের বহু আয়াত ও রাসূল (সঃ) এর পবিত্র জবান নিসৃত অসংখ্য হাদীস। এছাড়াও ৩১৩ সংখ্যার সংক্ষিপ্ত তাত্ত্বিক ইতিহাস হলো-
০১. আল্লাহ্ তায়ালার প্রেরিত রাসূলগনের সংখ্যা ছিলো ৩১৩।
০২. হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কর্তৃক হযরত লুত (আঃ) কে উদ্ধারে সহগামীদের সংখ্যা ৩১৩।
০৩. আসহাবে তালূত ছিলো ৩১৩ জন।
০৪. ইমাম মাহাদী (আঃ) এর বাহিনী হবে ৩১৩ জন।
০৫. ঐতিহাসিক আসহাবে বদর সংখ্যা ছিল ৩১৩ জন।
০৬. আউলিয়া দরবেশগণের বরকতপূর্ন সংখ্যা হলো ৩১৩জন।
ইতিহাসের সোনালী পাতায় ছাপা রয়েছে বরকতময় ৩১৩টি নাম। এই ৩১৩ সংখ্যার ইতিহাস একটি যুগান্তকারী ইতিহাস। এ সংখ্যার একদিকে যেমন হয়েছে একটি উজ্জ্বল ইতিহাস, তেমনী এর ভিতরে রয়েছে মুমিন হৃদয়ের প্রেরণা।
এই প্রতিষ্ঠানটি একটি সাদকায়ে জারিয়াহমূলক প্রকল্প, যার সাওয়াব মৃত্যুর পরও আমলনামায় যুক্ত হতে থাকবে ইন-শা-আল্লাহ। তাই আপনার দান ও পরামর্শ আমাদের প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে বলি, সদকা শব্দের অর্থ দান। আর জারিয়া মানে প্রবহমান, চলমান। ইসলামের পরিভাষায় সদকায়ে জারিয়া বলা হয় জীবিত অবস্থায় এমন কোনো নেক আমল করা যার সওয়াব মৃত্যুর পরও পাওয়া যায়। যেমন, কেউ দ্বীন শিক্ষার জন্য কোনো মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করল অথবা মসজিদ প্রতিষ্ঠা করল অথবা জনগণের কল্যাণে কোনো হাসপাতাল, রাস্তা তৈরি করে দিল ইত্যাদি।

হাদিস শরিফে এসেছে, রাসূল (সাঃ) বলেন-
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ « إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ
‘মানুষ যখন মারা যায় তখন তার সকল আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল বাকি থাকে।
১।সদকায়ে জারিয়া।
২।উপকারী ইলম।
৩।এমন নেক সন্তান, যে মৃত্যুর পরও তার জন্য দোয়া করে।’ [সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪৩১০]

তাই গুরুত্বপূর্ন এই প্রতিষ্ঠানটিকে দ্বীনের স্বার্থে কায়েম রাখা আমাদের সকলের ঈমানী দায়িত্ব। আমরা আশাবাদী ঈমানী চেতনায় উদ্বুদ্ধ দ্বীন দরদী ভাই-বোনেরা  এই “জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা” তে গঠিত মজলিসে আম্মাহ/আজীবন সদস্য পরিষদ/সাধারন পরিষদ বা ‘আছহাবে বদরীন’ বা ৩১৩ বদরী সদস্যে অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়ন ও বেগবান করতে এগিয়ে আসবেন। সৎ ও কল্যানকর কাজের সহযোগি হবেন।
আসুন বৈধপন্থায় নিজ উপার্জন থেকে বাৎসরিক কিছু অনুদান করে এ ৩১৩ সংখ্যার তালিকায় নিজের নামটা সংযোজন করি। আল্লাহ তায়ালা যদি আমাদের এ সামান্যতম আমলটা কবুল করেন এই আশায় যে আল্লাহ আমাদের হাশর যেন বদরীন সাহারীগণের সাথে একীভূত করেন এবং তা আমাদের জন্য অনেক সৌভাগ্যের বিষয় বলে বিবেচিত হবে। বদরের ঐতিহাসিক যুদ্ধে সাহস, ত্যাগ আর ঈমানী শক্তির বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী সাহাবীগণকে আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে উত্তম প্রতিদান করুন। তাদের আত্মত্যাগ ইসলাম প্রতিষ্ঠায় নিবেদিতপ্রাণ দুনিয়ায় মুজাহিদগণের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে চিরকাল।
উক্ত সদকায়ে জারিয়া কাজে আপনি/আপনারা সহযোগীতা করূন। আল্লাহ সুবহানু ত’য়ালা সকলকেই এর মর্ম বুঝার তৌফিক নসিব করুন। আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হোন। হে আল্লাহ ! বদরের ঐতিহাসিক যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবায়ে কেরামের মত আমাদের তাওহীদী তামান্না তীজদীপ্ত ঈমান অর্জন করার তাওফিক আতা ফরমাও আমীন। আমিন।।
ধন্যবাদান্তে,
(মোঃ লুৎফুর রহমান)
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক
জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা
ভাটি সাভার, হেমগঞ্জ বাজার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
মোবাইল- 01611-054666, 01999-911633

Add Your Heading Text Here