সালাম ফিরানোর পূর্বের মাসনুন দু’আ {১-১০}
১।
اَلتَّحِيَّاتُ للهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، اَلسَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ।
বাংলা উচ্চারণঃ আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্ সালাওয়াতু, ওয়াত্ তাইয়িবাতু। আস্সালামু ‘আলাইকা আইয়্যুহান নাবীয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আস্সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সলিহীন। আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আননা মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু। অর্থ : আমাদের সকল সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামায এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমাদের এবং আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর আল্লাহ্র রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া (ইবাদাতের যোগ্য) আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল। {বুখারী,হা/৬২৩০; মুসলিম,হ/৯২৪; মিশকাত,হা/৯০৯}
২।
اَللّهُمَّ صَلِّ عَلى مُحَمَّدٍ وَّعَلى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدُ، اَللّهُمَّ بَارِكْ عَلى مُحَمَّدٍ وَّعَلى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ.
বাংলা উচ্চারণ : “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদিউ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদিম, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা, ওয়া আলা আলি ইবরাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।” অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মদ ওমুহামাদের পরিজনের প্রতি রহমত বর্ষণ কর যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি।নিশ্চয় তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত।হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাজিল কর মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের পরিজনের প্রতি যেভাবে রহমত নাজিল করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত। {বুখারী,হ/৩৩৭০; মুসলিম,হা/৪০৬}
৩।
اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَ فِتْنَةِ الْمَمَاتِ।
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযু বিকা মিন আযা-বি জাহান্নাম, অ আঊযু বিকা মিন আযা-বিল ক্বাবর, অআঊযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল, অআঊযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাহ্য়্যা অ ফিতনাতিল মামা-ত। অর্থঃ” হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে। {মুসলিম,হা/১২১১}
৪।
اَللّهُمَّ إِنِّييْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْماً كَثِيْراً وَّلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্সী যুলমান কাছীরাঁও অলা ইয়াগ্ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগ্ফিরলী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহাম্নী ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম’ অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপরে অসংখ্য যুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপরে অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান। {বুখারী,হা/৮৩৪; তিরমিযী,হা/৩৫৩১; মিশকাত,হা/৯৪২; মুসলিম,হা/৭০৪৪}
৫।
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَما أَخَّرْتُ، وَما أَسْرَرْتُ وَما أَعْلَنْتُ، وَما أَسْرَفْتُ، وَما أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ
উচ্চারণ: ‘আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়া মা আখ্খারতু ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লান্তু ওয়া মা আসরাফ্তু ওয়া মা আনতা আল’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু লা ইলাহা ইল্লা আনতা।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপনে করেছি, যা করেছি প্রকাশ্যে, যা সীমালঙ্ঘন করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী, আপনি ব্যতীত আর কোনো সত্য ইলাহ নেই ।
{সহীহ মুসলিম,হা/৭০৭৬}
৬।
اَللُّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ।
বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ইন্নি আলা জিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা। অর্থ : হে আল্লাহ, আপনার জিকির করতে, আপনার শোকরিয়া আদায় করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন। {আবূ দাউদ,হা/১৫২২; মিশকাত,হা/৯৪৯}
৭।
رب قني عذابك يوم تبعث (تجمع) عبادك
উচ্চারণ: রব্বি ক্বিনী আযাবাকা ইয়াওমা তুব‘য়াসু ইবাদাক। অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তুমি তোমার আযাব হতে বাঁচাও যেদিন তোমার বান্দারা উত্থিত হবে। {মুসলিম,হা/৭০৯/১৬৭৬; মিশকাত হা/৯৪৭}
৮।
اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ।
বাংলা উচ্চারণঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল জান্নাহ ওয়া আঊযু বিকা মিনান্নার”। অর্থঃ “হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে জান্নাত কামনা করছি এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” {আবু দাউদ,হা/৭৯২,৯৮৫; মিশকাত,হা/৭৯২}
৯।
رَبَّنَآ اٰتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْاٰخِرَةِ حَسَـنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ.
বাংলা উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানা, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা, ওয়াকিনা আজাবান্নার।’ অর্থ : ‘হে আমার প্রভু! আমাকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর, আখিরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও। {সূরা বাকারা : ২০১}
১০।
صَغِيرًا رَبَّيَانِي كَمَا ارْحَمْهُمَا رَّب
বাংলা উচ্চারণ : ‘রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগিরা।’ অর্থ : ‘হে আমাদের পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন; যেমনিভাবে তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।’ {সুরা বনী ইসরাঈল আয়াত- ২৪}
সকাল – সন্ধ্যার দু’আ ও যিকর
১।| আয়াতুল কুরসী [সকাল-সন্ধ্যায় একবার ]
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيطَانِ الرَّجِيمِ ﴿ اَللّٰهُ لَآ اِلٰهَ اِلَّا ھُوَ ۚ اَلْـحَيُّ الْقَيُّوْمُ ڬ لَا تَاْخُذُهٗ سِـنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ ۭ لَهٗ مَا فِي السَّمٰوٰتِ وَمَا فِي الْاَرْضِ ۭ مَنْ ذَا الَّذِيْ يَشْفَعُ عِنْدَهٗٓ اِلَّا بِاِذْنِهٖ ۭ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَھُمْ ۚ وَلَا يُحِيْطُوْنَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖٓ اِلَّا بِمَا شَاۗءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِـيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ ۚ وَلَا يَـــــُٔـــوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَھُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ ٢٥٥ ﴾. বাংলা উচ্চারণঃ আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম।আল্লা-হু লা— ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্কাইয়্যুম,লা- তা’খুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম।লাহু মা ফিসসামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্।মান যাল্লাযী ইয়াশ ফাউ ইনদাহু— ইল্লা বি ইজনিহ,ইয়া লামু মা বাইনা- আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম,ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি— ইল্লা বিমা শা’—-আ,ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ,ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমাওয়াহুয়াল আলিয়্যূল আযী-ম।{ সুরা আল বাকারাহ;আয়াত ২৫৫ } অর্থঃ আমি বিতারিত শয়তান থেকে মহান আল্লাহ তা’আলা আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি।আল্লাহ,তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক।তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।আকাশ ও ভূমিতে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর।কে আছে এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তার অনুমতি ছাড়া?দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন।তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু তা ব্যতীত – যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।তাঁর আসন সমস্ত আকাশ ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টিত করে আছে।আর সেগুলোকে ধারণ করা তার পক্ষে কঠিন নয়।তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান। [ বুখারী – হা/৫০১০ ]
২। সুরা ইখলাস [সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার ]
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۚ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۚ لَمْ يَلِدْ ڏ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۧ﴾ বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম।কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুছ ছমাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান আহাদ। অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি।বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। আর তার সমতুল্য কেউ নেই। {আবু দাউদ,হা/৫০৮২}
৩। সুরা ফালাক [ সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার ]
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴾ বাংলা উচ্চারণঃবিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম। কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক । মিন শাররি মা-খালাক।ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ।ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি। বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়, গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।{আবু দাউদ,হা/৫০৮২; তিরমিযী,হা/৩৫৭৫}
৪ । সু্রা নাস [ সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার ]
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ اِلٰهِ النَّاسِ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ڏ الْخَنَّاسِ الَّذِيْ يُوَسْوِسُ فِيْ صُدُوْرِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ۧ﴾ বাংলা উচ্চারণঃবিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম।কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ। মালিকিন্না-ছ। ইলা-হিন্না-ছ। মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ। অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি। বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, মানুষের অধিপতির, মানুষের মা’বুদের তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে। {আবু দাউদ,হা/৫০৮২; তিরমিযী,হা/৩৫৭৫}
৫।
«حَسْبِيَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيهِ تَوَكَّلتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ» বাংলা উচ্চারণঃ হাসবিয়াল্লা-হু, লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রব্বুল আরশিল আযীম। [ সকাল -সন্ধ্যায় সাতবার] অর্থঃ আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, আমি তাঁরই উপর নির্ভর করেছি, তিনি মহান আরশের প্রভু। { সূরা তাওবা;আয়াত-১২৯ }
৬ ।
النَّارِ مِنَ أَجِرْنِى اللَّهُمَّ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা আজিরনী মিনান-নার। [ সকাল -সন্ধ্যায় সাতবার ] অর্থঃ হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। [ আবু দাউদ-হা/৫০৭৯ ; মিশকাত-হা/২৩৯৬ ]
৭ । সায়্যিদুল ইস্তিগফার [সকাল-সন্ধ্যায় একবার ]
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِر لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা, আনতা রব্বী, লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা, খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা আলা-‘আহদিকা ওয়া ওয়া’অ্দিকা মাস্তাত্বা’তু। আ’ঊযু বিকা মিন শাররি মা-সানা’তু,আবূউ লাকা বিনি’মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বী।ফাগফিরলী, ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা-আনতা। অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিজ্ঞার উপরে রয়েছি যতটুকু পেরেছি। আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমি যে কর্ম করেছি তার অকল্যাণ থেকে। আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আপনি আমাকে যত নিয়ামত দান করেছেন তা-সহ এবং আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আমার পাপ-সহ।অতএব, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন, কারন আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না। {বুখারী,হা/৬৩০৬(শামেলা);৫৮৬৭(ই .ফা.), মিশকাত,হা/২৩৩৫}
৮।
«بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ».(৩ বার) বাংলা উচ্চারণঃ “বিসমিল্লা-হিল লাযী লা ইয়াদ্ দুররু মা’আসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা-ফিস সামা-ই, ওয়া হুওয়াস্ সামী’উল ‘আলীম।”[সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার। অর্থঃ “আল্লাহর নামে (আরম্ভ করছি),যার নামের সাথে যমিনে বা আসমানে কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না।আর তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। {তিরমিযী, হা/ ৩৩৮৮; আবূ দাউদ,হা/ ৫০৮৮;মিশকাত, হা/ ২৩৯১।}
৯।
«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ». বাংলা উচ্চারণঃ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন খদীর।[সকাল-সন্ধ্যায় দশবার।] অর্থঃ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই ,আর তিনি সব কিছুই উপর ক্ষমতাবান। {বুখারী,হা/৬৪০৩,৫৯৬১;মুসলিম,হা/২৬৯১,৬৫৯৮; আবূ দাউদ,৫০৭৭; ইবনে মাজাহ,হা/৩৮৬৭}
১০।
«اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ وَإِلَيْكَ النُّشُورُ». বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা বিকা আসবা’হনা,ওয়া বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা না’হয়া, ওয়া বিকা না’মূতূ, ওয়া ইলাইকাল নুশের। [সকালে একবার।] অর্থঃ হে আল্লাহ, আমার আপনার অনুগ্রহ সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনার অনুগ্রহে আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি। আর আপনার করুণায় আমরা জীবিত থাকি,আপনার ইচ্ছায়ই আমরা মৃত্যুবরণ করি; আর আপনার কাছেই পুনরুত্থিত হব।
১১।
الْمَصِيْرُ وَإِلَيْكَ نَمُوْتُ، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ سَيْنَا، بِكَ أَصْأَمْ وَبِكَ بَحْنَا، أَصْأَمْ بِكَ اَللَّهُمَّ বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা আসবা’হনা, ওয়া বিকা না’হয়া, ওয়া বিকা না’মূতূ, ওয়া ইলাইকাল মাসীর। [সন্ধ্যায় একবার ।] অর্থঃ হে আল্লাহ, আমার আপনার অনুগ্রহে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং আপনারই অনুগ্রহে আমরা সকলে উপনীত হয়েছি। আর আপনার করুণায় আমরা জীবিত থাকি, আপনার ইচ্ছায়ই আমরা মৃত্যুবরণ করব; আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তিত হব। {তিরমিযী,হা/৩৩৯১; ইবনে মাজাহ,হা/৩৮৬৮।}
১২।
«أَصْبَحْنا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَ». ।বাংলা উচ্চারণঃ আসবা’হনা আলা-ফিতরতিল ইসলাম, ওয়া আলা-কালিমাতিল ইখলাস, ওয়া আলা-দীনী নাবিয়্যিনা মুহাম্মদিন সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ওয়া আলা-মিল্লাতি আবীনা -ইবরহীমা হানীফাম মুসলিমা। ওয়া মা-কা-না মিনাল মুশরিকীন।[সকাল-সন্ধ্যায় একবার।] অর্থঃ আমরা সকাল যাপন করেছি ইসলামের প্রকৃতির উপর, ইখলাসের বণী (তাওহীদ)-এর ওপর এবং আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ধর্মের ওপর ও আমাদের পিতা ইব্রাহিমের আদর্শের ওপর -যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম, তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। [বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সন্ধ্যায় আসবা’হনা -এর স্হলে আমসাইনা, অর্থঃ আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হলাম বলতে হবে।] {আহমাদ,১৫৩৬৩(শামেলা):মুসনাদে আবদুর রহমান ইবনে আবযা।}
১৩।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ: فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي، وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَينِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي». বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা,ইন্নী আস্আলুকাল’ আফওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়্যাতা ফিদ্ দুনইয়া-ওয়াল আ-খিরহ। আল্লাহুম্মা,ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল আ-ফিয়্যাতা ফী দীনী ওয়া দুনইয়াই-য়া, ওয়া আহলী ওয়া মালী।আল্ল-হুম্মাস-তুর ‘আউর-তী ওয়া আ-মিন রাউ’আ-তী।আল্ল-হুম্মাহ্ ফাযনী মিম বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন আরবী, ওয়া আন ইয়ামীনী ওয়া ‘আন শিমালী, ওয়া মিন ফাউক্বী। ওয়া আ’ঊযু বি’আযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহতী।[ সকাল -সন্ধ্যায় একবার।] অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ক্ষমা ও সার্বিক সুস্হতা-নিরাপত্তা দুনিয়াতে এবং আখিরাতে।হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই ক্ষমা ও সার্বিক সুস্হতা-নিরাপত্তা আমার দ্বীনের মধ্যে, আমার দুনিয়াবী বিষয়ের মধ্যে, আমার পরিবার আপনি পরিজনের মধ্যে ও আমার সম্পদের মধ্যে।হে আল্লাহ, আমার দোষত্রুটি গুলো গোপন করুণ এবং আমার ভয়ভীতিকে নিরাপত্তা দান করুন।হে আল্লাহ, আপনি আমাকে হেফাজত করুন আমার সামনে থেকে, আমার পিছন থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে, আমার উপর থেকে এবং আমি আপনার মহত্ত্বের আশ্রয় গ্রহণ করছি যে, আমার নিম্ন দিক থেকে আক্রান্ত হওয়া থেকে। { আবূ দাউদ,হা/৫০৭৪; মিশকাত,হা/২৩৯৭; ইবনে মাজাহ,হা/ ৩৮৭১।}
১৪।
«اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي
فِي بَصَرِي، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ». বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্ল-হুম্মা আ-ফিনী ফী সাম’য়ী, আল্ল-হুম্মা আ-ফিনী ফী বাসারী।লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা।আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযু বিকা মিনাল আযা-বিল কবরি।লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা।[সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার।] অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমার দেহে আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা -নিরাপত্তা দান করুন।হে আল্লাহ! আমার শ্রবণযন্ত্রে আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা -নিরাপত্তা দান করুন। হে আল্লাহ! আমার দৃষ্টি শক্তিতে আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা -নিরাপত্তা দান করুন। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই।হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে অবিশ্বাস ও দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। {আবু দাউদ, হা/ ৫০৯০ (শামেলা),৫০০২(ই.ফা.)।}
১৫।
«أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ».
বাংলা উচ্চারণ: আসবা‘হনা- ওয়া আসবা‘হাল মুলকু লিল্লা-হ। আল‘হামদু লিল্লা-হ। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু, লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। রাব্বি, আসআলুকা খাইরা মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া খাইরা মা- বা‘দাহু। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শার্রি মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া শার্রি মা- বা‘দাহু। রাব্বি, আ‘ঊযু বিকা মিনাল কাসালি, ওয়া সূইল কিবার। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিন ফিন্না-রি, ওয়া ‘আযা-বিন ফিল ক্বাবর।[সকালে একবার] অর্থ: “সকাল হলো, আমাদের জীবনে, আমরা ও সকল বিশ্বরাজ্যে সবকিছু আল্লাহর জন্যই দিনের মধ্যে প্রবেশ করলাম। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। হে আমার প্রভু, আমি আপনার কাছে চাইছি এই দিবসের মধ্যে যত কল্যাণ ও মঙ্গল রয়েছে এবং এই দিবসের পরে যত কল্যাণ রয়েছে তা সবই। এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অমঙ্গল ও অকল্যাণ থেকে যা এই দিবসের মধ্যে রয়েছে এবং এই দিবসের পরে রয়েছে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি অলসতা থেকে ও বার্ধক্যের খারাপি থেকে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি জাহান্নামের শাস্তি থেকে এবং কবরের শাস্তি থাকে।
{মিশকাত,হা/২৩৮১।}
১৬।
أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ».
বাংলা উচ্চারণ: আমসাইনা -ওয়া আমসাল মুলকু লিল্লা-হ। আল‘হামদু লিল্লা-হ। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু, লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। রাব্বি, আসআলুকা খাইরা মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া খাইরা মা- বা‘দাহু। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শার্রি মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া শার্রি মা- বা‘দাহু। রাব্বি, আ‘ঊযু বিকা মিনাল কাসালি, ওয়া সূইল কিবার। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিন ফিন্না-রি, ওয়া ‘আযা-বিন ফিল ক্বাবর।[সন্ধ্যায় একবার] অর্থ: “সন্ধ্যা হলো, আমাদের জীবনে, আমরা ও সকল বিশ্বরাজ্যে সবকিছু আল্লাহর জন্যই দিনের মধ্যে প্রবেশ করলাম। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। হে আমার প্রভু, আমি আপনার কাছে চাইছি এই দিবসের মধ্যে যত কল্যাণ ও মঙ্গল রয়েছে এবং এই দিবসের পরে যত কল্যাণ রয়েছে তা সবই। এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অমঙ্গল ও অকল্যাণ থেকে যা এই দিবসের মধ্যে রয়েছে এবং এই দিবসের পরে রয়েছে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি অলসতা থেকে ও বার্ধক্যের খারাপি থেকে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি জাহান্নামের শাস্তি থেকে এবং কবরের শাস্তি থেকে । {মিশকাত,হা/২৩৮১;মুসলিম,হা/২৭২৩,৬৬৬০; তিরমিযী,হা/৩৩৯০,৬৫৯৯।}
১৭।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتِكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ» (৪ বার). বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসবা’হতু [সন্ধ্যায় আসবা’হতু-এর স্হলে আমসাইতু বলতে হবে] উশহিদুকা ওয়া উশহিদু ‘হামালাতা ‘আরশিকা ওয়া মালা-ইকাতাকা ওয়া জামী’আ খলকিকা,বিআন্নাকা আনতাল্ল-হু লা ইলা-হা ইল্লা -আনতা ওয়া’হদাকা লা -শারীকা লাকা ওয়া আন্না মু’হাম্মাদান ‘আবদুকা ওয়া রাসূলুক।[সকাল-সন্ধ্যায় চারবার।] অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি সকালে(সন্ধায় বলতে হবে সন্ধ্যায়) উপনীত হয়েছি। আপনারকে সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার ‘আরশবহনকারীদেরকে এবং আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে,(এই মর্মে) যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোন শরীক নেই;আর মুহাম্মদ {সা} আপনার বান্দা ও রাসূল। {আবু দাউদ,হা/৫০৬৯(শামেলা)}
১৮।
«يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغيثُ أَصْلِحْ لِي شَأْنِيَ كُلَّهُ وَلاَ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ».
বাংলা উচ্চারণঃ ইয়া-‘হাইয়্যু ইয়া-ক্বাইয়ূ-মু, বার’হমাতিকা আসতাগি-ছু,আছলি’হ লী -শা’নী-কাল্লাহু , ওয়া লা তাকিলনী ইলা-নাফসী ত্বফাতা আইন। [সকাল -সন্ধ্যায় একবার।] অর্থঃ “হে চিরঞ্জীব!,হে মহারক্ষক ও অমুখাপেক্ষী তত্ত্বাবধায়ক, আপনার রহমতের ওসীলা দিয়ে ত্রাণ প্রর্থনা করছি। আপনি আমার সকল বিষয় কে সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিত করুন। আর আমাকে একটি মুহূর্তের জন্যও, চোখের পলকের জন্যেও আমার নিজের দায়িত্বে ছেড়ে দিবেন না। {আলবানী, সহীহুত তারগীব১/৩৪৫;মুসতাদরাক হাকিম ১/৭৩০}
১৯।
«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ: عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ».
বাংলা উচ্চারণঃ “সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহী, ‘আদাদা খলক্বিহী, ওয়ারিদ্বা -নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহ। [সকালে তিনবার।] অর্থঃ “আমি আল্লাহর প্রসংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, তাঁর সৃষ্টির সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বানীসমূহ লেখার কালি সমপরিমাণ {মুসলিম,হা/২৭২৬(শামেলা),৬৬৬৫(ই.ফা.)}
২০।
«أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ».
বাংলা উচ্চারণঃ “আ’উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি, মিন শাররি মা খলাক্ব।[সন্ধ্যায় তিনবার।] অর্থঃ আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই। {ইবনে মাজাহ,হা/৩৫১৮; মুসলিম,হা/৭০৫৫; মিশকাত,হা/২৪২২-২৩।}
২১।
«رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبَّاً، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيناً، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيّاً». বাংলা উচ্চারণঃ রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান, ওয়াবিল ইসলা-মি দীনান, ওয়া বিমু’হাম্মাদিন নাবিয়্যা ।[সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার।] অর্থঃ আমি সন্ত্তুষ্টচিত্তে আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন ও মুহাম্মদ {সা}-কে নবীরূপে গ্রহণ করেছি। {আবূ দাউদ,হা/৫০৭২; ইবনে মাজাহ,হা/৩৮৭০।}
২২।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْماً نَافِعاً، وَرِزْقاً طَيِّباً، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً». বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান না-ফি’আন, ওয়া রিযক্বান ত্বইয়্যিবান, ওয়া আমালাম মুতাক্বাব্বালান। [সকালে একবার।] অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান এবং হালাল রিযিক ও কবুলযোগ্য আমল চাই। {ইবনে মাজাহ,হা/৯২৫।}
২৩।
«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ» বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহি। [সকাল -সন্ধ্যায় একশতবার।] অর্থঃ “ঘোষণা করছি আল্লাহর পবিত্রতা, তাঁর প্রসংসাসহ।” {বুখারী,হা/৬২২৫; মুসলিম,হা/২৬৯২।}
২৪।
وَبِحَمْدِهِ الْعَظِيم اللَّه سُبْحَانَ বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাল্লা-হিল ‘আযীম ওয়া বি’হামদিহী।[সকাল-সন্ধ্যায় একশতবার। অর্থঃ আমি মহামহিমান্বিত আল্লাহ তা’আলা পবিত্রতা ও প্রসংসা ঘোষণা করছি। {আবূ দাউদ,হা/৫০৯১।}
২৫।
اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى- বাংলা উচ্চারণঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল হুদা ওয়াত তুকা ওয়াল “আফা-ফা ওয়াল গিনা”।[সকাল -সন্ধ্যায় একবার।] অর্থঃ “হে আল্লাহ! তোমরা কাছে আমি হিদায়াত, তাকওয়া, চারিত্রিক নির্মলতা ও আত্ননির্ভরশীলতা প্রার্থনা করি।{বুখারী ও মুসলিম -৬৭৯৭।}
২৬।
اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ বাংলা উচ্চারণঃ ইয়া মুকল্লিবাল ক্বলূব ছাব্বিত ক্বলবী আলা দ্বীনিক।[সকাল -সন্ধ্যায় একবার]অর্থঃ “হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, সুপ্রতিষ্ঠিত-স্থির রাখুন আমার অন্তরকে আপনার দীনের উপর। {তিরমিযী,হা/২০৬৬।}
২৭।
বাংলা উচ্চারণ : “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদিউ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদিম, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা, ওয়া আলা আলি ইবরাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।”[সকাল -সন্ধ্যায় দশবার।] অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মদ ওমুহামাদের পরিজনের প্রতি রহমত বর্ষণ কর যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি।নিশ্চয় তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত।হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাজিল কর মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের পরিজনের প্রতি যেভাবে রহমত নাজিল করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত । {বুখারী,হ/৩৩৭০; মুসলিম,হা/৪০৬}
২৮।
«رب قني عذابك يوم تبعث عبادك» (رواه مسلم) বাংলা উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, ইন্নী কাদ তাসাদ্দাকতু বি ‘ইরদী ‘আলা- ‘ইবাদিকা। সকালে একবার।অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আমার সম্মানকে আপনার বান্দাগণের জন্য দান করে দিলাম।” {আবূ দাউদ,হা/৪৮৮৬।}
২৯। ফজরের পরে ও আসরের পরে একশত বার।
“سبحان الله” “সুব’হানাল্ল-হ”, অর্থঃ আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।
“ الحمد لله” “আল-‘হামদুলিল্লাহ”, অর্থঃ সকল প্রসংসা আল্লাহর।
“الله أكبر” “আল্ল-হু আকবার”, অর্থঃ আল্লাহ সবচেয়ে মহান।
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ. “লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর।”(অথবা একশত বার”লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু”।) {তিরমিযী,হা/৩৪৭১।}
৩০। বাংলা উচ্চারণঃ আ’উযু বিল্লাহিস সামীয়িল আলিমি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম। তিনবার।
الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ (22)
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ
(23) انَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَ
هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّ
رُ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ [الحشر:22-24]
হুওয়াল্লা হুল্লাজি লা-ইলা-হা ইল্লা-হু আলিমূল গইবি ওয়াস শাহাদাতি হুয়ার রহমানুর রহিম। হুওয়াল্লা হুল্লাজি লা-ইলা-হা ইল্লা-হু আল মালিকূল কূদ্দুছুছ ছালামূল মুউমিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। সুবহানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকূন।হুওয়াল্লাহুল খলিকূল বারিয়ূল মূছাব্বিরু লাহুল আছমাঊল হুছনা ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদ ওয়া হুয়াল আজিজুল হাকিম।[সকাল -সন্ধ্যায় একবার] অর্থঃ “আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহর তিনিই যিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই।যা দেখা যায়।আর যা দেখা যায় না তার সবকিছু সম্পর্কে তিনি অবগত। তিনি পরম করুণাময় এবং দয়ালু। আল্লাহ তিনিই যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনিই বাদশাহ, মহা-পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, নিরাপত্তা দানকারী,রক্ষক,মহাপরাক্রমশালী,মহাপ্রতাপশালী ও অতি মহিমান্বিত।তারা যা শরিক করে তা থেকে তিনি পবিত্র ও মহান। তিনিই আল্লাহ,স্রষ্টআ,উদ্ভবনকারী ও আকৃতিদানকারী। তাঁর সুন্দর সুন্দর নাম আছে। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁর মহিমা ঘোষণা করে। তিনি মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। {সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত}

সম্পূর্ণ কুরআন মাজীদ
আলী আল-হুদাইফির তিলাওয়াতে | ১১৪টি সূরা
সার্ভার: EveryAyah.com
উচ্চ গুণগত মানের অডিও | ১২৮ kbps | স্ট্যাবল কানেকশন
সূরাগুলো লোড হচ্ছে...
কুরআন শরীফ - আলী হুদাইফি
১১৪টি সূরা | সরাসরি অডিও

জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা
ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
🎙️ Qari: Ali Al-Hudhaifi

Jamiyatu Lutfur Rahman Al Islamia Madrasa
📖 আল কোরআনুল কারীম | 🎙️ আলী হুদাইফি